এখন ও এয়ারপোর্টে কর্মরত। এখন ও আর আমাকে সময় দেয় না। কারণ ওর অন্য একটি মেয়ের সাথে সম্পর্ক আছে।

19023322_1899392990342036_8313402776406054508_o

“আমার বিয়ে হয় ২০০৮ সালে। আমার স্বামী একজন গার্মেন্টসের হেল্পার ছিল। ওর পড়াশোনা করার অনেক ইচ্ছা ছিল। কিন্তু ওর বাবা – মা ওকে একজন কৃষক বানাতে চেয়েছিল। এরপর ও রাগ করে ঢাকায় চলে আসে এবং গার্মেন্টসের চাকরি নেয়। এরপর ২০০১ সালে ও গার্মেন্টসের  অপারেটর হিসেবে যোগ দেয়। এখন ও এয়ারপোর্টে কর্মরত। এখন ও আর আমাকে সময় দেয় না। কারণ ওর অন্য একটি মেয়ের সাথে সম্পর্ক আছে। এখন ও আমার ছেলের খরচও চালায় না।”

– গার্মেন্টস অপারেটরের স্ত্রী


“I got married in 2008. My husband was a helper at a garment factory. He wanted to pursue his education. But his parents wanted him to be a farmer. Then he moved to Dhaka in anger and took a job at his garment worker. Later in 2001, he became an operator at the garment. Now he is working in the airport. He does not give me time anymore. He’s having an extramarital affair. Now, he does not even pay for our son’s expenditure.”

– Wife of the garment operators

This story is featured in Made In Equality, an initiative supported by C&A Foundation.