আমাদের জীবনেও ভালোবাসা আসে। এই ভালোবাসাটাই যে অনেক সময় সবচেয়ে বড় জিনিস হয়ে উঠে"... এটাই সত্য ভাই। আমি ঢাকায় আছি জন্মে থেকে। আমার গ্রামের বাড়ি বরিশাল।পরিবারে মা, বাবা, দুই বোন আর আমার বৌ (একটু হেসে)।

19092687_1899439083670760_8718272934466191160_o

আমাদের জীবনেও ভালোবাসা আসে। এই ভালোবাসাটাই যে অনেক সময় সবচেয়ে বড় জিনিস হয়ে উঠে”… এটাই সত্য ভাই। আমি ঢাকায় আছি জন্মে থেকে। আমার গ্রামের বাড়ি বরিশাল।পরিবারে মা, বাবা, দুই বোন আর আমার বৌ (একটু হেসে)। আমি এইচ. এস. সি সেকেন্ড ইয়ার পর্যন্ত পড়ালেখা করেছি কিন্তু পরীক্ষা দিতে পারি নাই। ব্যাপারটা হলো আমি গত দেড় বছর একটা মেয়েকে ভালোবাসতাম। আমার বাবা রঙের কাজ করে। আর মেয়ের বাবার চায়ের দোকান আছে। আমরা পালায় যেয়ে বিয়ে করি। আর এই ব্যাপারটা ওর বাবা পছন্দ করে নাই। উনি আমার নামে কেছ করে। পরীক্ষা শুরুর দেড় মাস আগে আমি হাজতে যাই। সেখানে ছিলাম এক সপ্তাহ। পরে আমার মা আমাকে ছাড়ায়। এখন আমি আমার বউকে নিয়ে এই পাশের এলাকায় থাকি।

জানেন? আমি ওকে প্রথম দেখি একটা স্কুল ইভেন্টে দুই বছর আগে। সেখান থেকেই প্রেম। আমরা দুইজন এ কমার্সের স্টুডেন্ট। ওর এইবার এস. এস. সি পরীক্ষা দেয়ার কথা ছিল।কিন্তু দুইজনই পরীক্ষা দিতে পারি নাই এইবার। আশা করি আমরা আগামী বছর পরীক্ষা দিতে পারবো। জীবনের প্রথম কাজ করতে আসা এই ফ্যাক্টরিতে। যে পরিমান খাঁটুনি করতে হয়, তেমন টাকা তো আসে না ভাই। এখন বুঝি কত কষ্ট এই পেশায় কিন্তু সেটাও আবার কষ্ট মনে হয় না ভালোবাসার কথা চিন্তা করলে। আমার বৌ আছে, আমার মা আছে। তাদের সহায়তায় আমি আরো কাজ করার উৎসাহ পাই।

– একজন গার্মেন্টস কর্মী


Love touched our lives as well. This becomes the most important thing in our life sometimes – it is the truth. I have been living in Dhaka since my birth. My hometown is Barishal. My family comprises of my mother, father, two sisters, my wife (smiling) and I. I was able to complete my education up to H.S.C second year. However, I was unable to take the examination. What happened was, I fell in love with a girl about a year and a half ago. My father is a painter. My fiance’s father runs a tea stall. My wife and I eloped and got married. Her father could not accept this at all. He filed a case against me. One and a half months before the examination, I was locked up. I stayed locked up for about a week. Later, my mother bailed me out. I live with my wife now in a neighboring area.

You know, I first saw her at a school event two years ago. We fell in love right in that moment. We both are commerce students. She was supposed to take the S.S.C examination this year. But neither of us could take the exam this time. Hopefully, we will take it next year. My first job ever is in this very factory. The compensation is not equivalent to the effort I put in. I now realize the intensity of struggle in this profession, but it all seems worth it when I think about my love. I have my wife, I have my mother. I get inspired to do more with their support.

– An employee at a garment employee

This story is featured in Made In Equality, an initiative supported by C&A Foundation.