কুঁড়ি বছর বয়সে ঢাকা আসি সেই ময়মেনসিংহ থেকে। নতুন বৌ আমি তখন, নতুন সংসার আমার। আমার দুই মেয়ে আর এক ছেলে। ছেলে পড়ালেখা করে না। কত যে বলি তাকে পড়তে, সে শুনেই না।

19025259_1900281376919864_8054052723287894433_o

“মেয়েদের নাকি বয়স জিজ্ঞেস করতে নেই। কিন্তু আমাদের আবার বয়স কিসের? কুঁড়ি বছর বয়সে ঢাকা আসি সেই ময়মেনসিংহ থেকে। নতুন বৌ আমি তখন, নতুন সংসার আমার। আমার দুই মেয়ে আর এক ছেলে। ছেলে পড়ালেখা করে না। কত যে বলি তাকে পড়তে, সে শুনেই না। একদিন হয়তো বুঝতে পারবে মায়ের কথার অর্থটা।… আমার স্বামী আগে একটা মুদির দোকানে কাজ করতো। তারপর কাজ শুরু করলো গার্মেন্টসে, সুপারভাইজার হিসেবে। ইনকাম তো বেশি আসতো না… বিয়ের পরপরই ঢাকায় আসাতে অনেক কষ্ট পোহাতে হয়েছে আমাদের। আমার স্বামী এখন বিদেশ যেতে চায়। তারও খুব ইচ্ছা ছিল পড়ালেখা করার, কিন্তু করতে পারে নাই। ছোট থেকেই পরিবারের অর্থ জোগানে ব্যস্ত হয়ে গেছে সে। এখন ব্যাগের ব্যবসা। দিন যাচ্ছে একরকম, তাও অত স্বচ্ছল না। আমার স্বপ্ন সন্তানগুলার মুখে যাতে হাসি ফুটাইতে পারি আমরা।”

– একটি পোশাক কারখানায় একজন প্রাক্তন কর্মচারীর স্ত্রী


“It is said, that people are not supposed to ask a woman’s age. But what’s age for us, really? I came to Dhaka at the age of twenty from Mymensingh. I was a newlywed when I came here with a new family. I have two daughters and a son. My son is not into studies, at all! He doesn’t even bother to listen to me when I keep asking him to study. However, one day he will surely understand the value of my words. My husband used to work at a grocery store. Then he started working at a garment factory, as a supervisor. He didn’t earn much. We had to struggle financially ever since we moved to Dhaka right after our wedding. My husband wants to go abroad now. He always wanted to study, but he couldn’t. He had to start working at an early age to provide for his family. Nowadays, he runs a business of bags. Life is going on somehow, but we’re not solvent yet. I have just one dream; to see my children happy.”

– Wife of an ex-employee at a garment factory

This story is featured in Made In Equality, an initiative supported by C&A Foundation.