ও আর আমাদের কে এখানে অন্যান্য সুবিধার সাথে ভূমিকম্প হলে কি করতে হয় সেই ব্যাপারে সবসময় সতর্ক করা হয়ে থাকে।

18699355_1892619277686074_2087367443784070450_o

“আমি শাহীন। জন্ম থেকে ঢাকায় আছি। পড়ালেখা করি ক্লাস ৫ পর্যন্ত। গার্মেন্টসে কাজ করছি চার বছর হতে চললো। শুরুর দু’বছর কাজ করি হেল্পার হিসেবে তারপর স্ক্রিন প্রিন্টে কাজ করছি দু বছর ধরে। কাজের ধারা এবং ধরণ আমার তেমন একটা ক্লান্তিকর বলে মনে হয় না। বলতে পারেন অভ্যাস হয়ে গেছে। প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত নরমাল শিফ্টের কাজ থাকে। আর তারপর রাত ১০টা পর্যন্ত কাজ করলে হয় ওভারটাইম। আমি ওভারটাইম করি। কয়টা পয়সা বেশি পাওয়া যায়। সব মিলিয়ে মাস শেষে ৮০০০-১০০০০ টাকা আসে। আমি যেখানে কাজ করি সেই জায়গা সম্পর্কে বলতে গেলে অনেক কিছুই বলা যায়। এখানে অনেক সুবিধা পাই। যেমন কাজের মাঝে কেউ অসুস্থবোধ করলে ছুটি নিয়ে বাসায় চলে যেতে পারে। প্রতি শুক্রবার আমাদের সপ্তাহিক ছুটি থাকে। এবং জানিয়ে অ্যাবসেন্ট দিলে বেতন থেকে কোনো টাকা কাটে না, বকা-ঝকাও করে না। তবে কেউ যদি না জানিয়ে দেয় অ্যাবসেন্ট তাহলে একটু সমস্যায় পড়তে হয়। প্রতি ঈদে আমরা প্রায় এক সপ্তাহ ছুটি পাই। আর তার সাথে সরকারি ছুটির দিনগুলোতে তো ছুটি আছেই।

কাজের মাঝে হঠাৎ একটু মজা করা হয় সত্যি। যেমন ধরেন কি, কয় দিন আগে আমাদের এখানে সিলেট থেকে একজন আসছে কাজ করতে। উনার সাথে আমরা অনেক হাসি-ঠাট্টা করি। সিলেটি ভাষাটা আমার কাছে ভালোই মজা লাগে শুনতে। তারপর ধরেন হ্যাপি নিউ ইয়ার পালন করি আমরা ফ্যাক্টরিতে একসাথে। তখন অনেক মজা হয়। গান, খাওয়া, একটু নাচানাচি করি। এভাবেই শান্তির সাথে কাটছে আমার কাজের দিন। ও আর আমাদের কে এখানে অন্যান্য সুবিধার সাথে ভূমিকম্প হলে কি করতে হয় সেই ব্যাপারে সবসময় সতর্ক করা হয়ে থাকে। আসলে নিজেকে অনেকটা ভাগ্যবান মনে করি যে এমন একটা জায়গায় কাজ করছি আমি।” – একটি ছোট পোশাক কারখানা এ কর্মচারী।

– একটি ছোট পোশাক কারখানা এ কর্মচারী।


“I am Shahin. I was born and brought up in Dhaka. I studied in school till class 5. It’s been 4 years since I have started working in this garment factory. I worked as a helper the first two years and since then I have been working in screen printing section. I don’t find this work tiring. I have actually gotten used to it. I work in the regular shift from 8 in the morning till 5 PM. And if I work till 10 at night, it is considered as overtime. I work overtime. I earn a few bucks extra like this. In total, I get around 8000 to 10000 taka every month. A lot can be said about the place I work at. There is a lot of advantage to working here. For example, if someone is feeling ill during work, they can take the day off and go home without any fuss. We get a day off every Friday. They don’t scold us or charge a fine if we apply for a leave. But we do face some problems if we remain absent without notice. We get a week off every Eid besides Fridays.

We also keep ourselves entertained at work. For example, there is this person from Sylhet who recently joined us. We have a lot of fun with him. I really like the Sylheti accent. We also celebrate “Happy new year” at the factory. We enjoy those certain occasions. We sing, dance and eat! My days at work are passing with ease. Besides a lot of benefits, we are also trained about earthquake safety. I feel lucky to be working here.”

– An employee at a small garment factory.

This story is featured in Made In Equality, an initiative supported by C&A Foundation.