ওদের বাবা পাঁচ বছর আগে অন্য আরেকটা বিয়ে করে আমাদের পরিবারকে পরিত্যাগ করে। তাই সন্তানদের বড় করার দায়িত্ব আমাকেই পুরোপুরি নিতে হয়। আমরা তিন মা-মেয়ে মিলে পুরো সংসারের দায়ভার টানি। কথায় আছে কষ্ট করলে কেষ্ট মেলে।

19143893_1899916180289717_6137433234004603837_o

“আমার দেশের বাড়ি সেরপুর জেলায়, কিন্ত আমার জন্ম ঢাকাতেই। আমার পরিবারে আমার মা, তিন মেয়ে, নানি, ভাই আর ভাইপো আছে । আমার দুই বড় মেয়ে চাকরিজীবী। আমার বড় মেয়ে সনিয়ার এখন আঠার বছর। সে বিবাহিত আর গত চার বছর ধরে চাকরি করছে। মাসে সাত থেকে আট হাজার টাকা রোজগার হয় ওর। সুমি আমার মেজ মেয়ে। ওর এখন সতের বছর চলছে আর সে অবিবাহিত। গত দেড় বছর ধরে চাকরি করে মাসে পাঁচ থেকে ছয় হাজার টাকার বেতন পাচ্ছে। সনিয়া-সুমি দুজনই পঞ্চম শ্রেণী পাশ।

ওদের বাবা পাঁচ বছর আগে অন্য আরেকটা বিয়ে করে আমাদের পরিবারকে পরিত্যাগ করে। তাই সন্তানদের বড় করার দায়িত্ব আমাকেই পুরোপুরি নিতে হয়। আমরা তিন মা-মেয়ে মিলে পুরো সংসারের দায়ভার টানি। কথায় আছে কষ্ট করলে কেষ্ট মেলে। আমরাই তার প্রমান। কষ্ট করি কিন্তু কারো কাছে মাথা পেতে বাচি না।”

– একটি পোশাক কারখানায় একজন কর্মচারীর মা


“My hometown is in Sherpur district, but I was born in Dhaka. I have my mother, three daughters, my brother, my grandmother and my nephew living with me. Two of my daughters are employed. Sonia is the eldest, she is eighteen and married. She has been working for the last four years and she earns around seven to eight thousand taka every month. My second oldest daughter is Sumi. She is seventeen and single. She has been working for the last one and a half year and now she earns five to eight thousand taka monthly. Both Sonia and Sumi have studied till the fifth grade.

My husband abandoned our family five years ago and got married elsewhere. Therefore I had to take full responsibility of bringing up my children alone. The three of us combined work to support our family. It is said that hard work always bears sweet fruit. We are the proof of that. We work very hard, but we are never dependent on anyone for their support.”

– Mother of an employee at a garment factory

This story is featured in Made In Equality, an initiative supported by C&A Foundation.