উনার উপার্জন এবং তার সাথে পারিবারিক কিছু সমস্যার কারনে পড়া হয় নাই আমার। আমার মা অনেক অসুস্থ ছিলেন। তাই সাংসারিক কাজগুলো আমারই দেখতে হতো। স্কুলে কখন যাওয়ার সময় পেতাম বলেন?

story of a happy garment worker

“জীবনের ব্যাপারে কি বলবো আপনাকে বলেন। ঢাকায় জন্ম আমার, পরিবারে বাবা, দুই ভাই আর আমরা তিন বোন। আমার মা নেই। মায়ের মমতা আর তার ছাঁয়ার অভাব সবসময় অনুভব করি। ভাই-বোন গুলার মধ্যে আমিই বড়ো। গত এক বছর হলো বিয়ে হয়েছে আমার। স্বামী ঢাকার মিরপুরে একটি পরিবহনের বাস ড্রাইভার। পড়ালেখা করা হয় নাই তেমন একটা। ক্লাস ফাইভ পর্যন্ত পড়ছিলাম। বাবা একটা রেস্তোরাঁর বাবুর্চি। উনার উপার্জন এবং তার সাথে পারিবারিক কিছু সমস্যার কারনে পড়া হয় নাই আমার। আমার মা অনেক অসুস্থ ছিলেন। তাই সাংসারিক কাজগুলো আমারই দেখতে হতো। স্কুলে কখন যাওয়ার সময় পেতাম বলেন?

আমাকে ছোট রেখেই মা মারা যান। আমি এমনটি বলবোনা যে আমি এখন অনেক বড়ো হয়ে গেসি কিন্তু তারপরেও মায়ের অভাবটা এখনো অনুভব করি। জীবনের এই সব কিছুর মাঝে আমার স্বামী আর আমাদের সংসারটা এখন আমাকে অনেকটা তৃপ্তি দেয়। তার সাথে প্রায় সাত বছরের প্রেম ছিল, তারপর এক বছর হলো আমাদের বিয়ে হয়েছে। আমি গার্মেন্টসে চাকরি করি ৩-৪ বছর হলো। প্রিন্ট সেকশনে কাজ করি। মাস গেলে সব মিলায়ে আট-নয় হাজার টাকা আসে। এই টাকা আমি নিজ ইচ্ছে মতো খরচ করতে পারি। আমার স্বামী এই বিষয়ে আমাকে অনেক সমর্থন করেন। কিছু টাকা নিজের ছোট ভাই-বোনদের দেই , নিজের সংসারে খরচ করি। আর হ্যাঁ, ভবিষ্যতের জন্য কিছুটা জমাচ্ছি। আমার এখন একটাই চাওয়া, পরিবারকে সাথে নিয়ে সুখে শান্তিতে থাকা। সব মানুষই তো জীবনে এটাই চায় তাই না? একটা ছোট্ট স্বপ্ন হলো ভবিষ্যতে নিজের সন্তান হলে তার একটা ভালো জীবন যেন দিতে পারি আমি। ভবিষ্যৎ জীবনটা যেন স্থিতিশীলভাবে কাটে, এটাই চাই।” – একটি ছোট পোশাক কারখানা এ কর্মচারী।

– একটি ছোট পোশাক কারখানা এ কর্মচারী।


“What should I say about my life, you tell me! (Smiles softly). I was born and raised in Dhaka. In my family, I have my father, two younger brothers and two sisters. My mother left us a long time ago. I have always felt the absence of her love and affection in my life. I am the eldest among my siblings. I got married last year. My husband works as a bus driver in Mirpur, Dhaka. I studied in school only up to class five. My father is a cook. Due to financial crisis and various other family issues, I could not continue studying for long. My mother was very sick. Thus, I had to take up all the household responsibilities. How could I have managed the time to go to school, you tell me?

My mother passed away while I was still quite young. I won’t say that I have grown up a lot now, but it has been a while since my mother has passed away. But still, I still miss her. My husband and his family now makes up for a lot of the things that has been missing from my life. We have had a healthy relationship for about seven years before getting married. I have been working in a garment factory for about 3 – 4 years now. I work in the print section. I earn approximately eight to nine thousand taka every month. I am free to spend this money however I want. My husband is very supportive of my decisions in this regard. I give some of the money to my younger brothers and sisters and spend the rest on our family. Oh, and yes, I’m saving up a bit for the future too! I want only one thing: to live peacefully with my family. Don’t we all want just that? I have a small dream. If I ever have a child, I hope I can give him/her a better life. I look forward to having a stable and peaceful life ahead with my family.”

– An employee at a small garment factory.

This story is featured in Made In Equality, an initiative supported by C&A Foundation.