"আমাদের বিয়ের পর প্রথম প্রথম বেশ সুখেই ছিলাম। এরপর আমার যখন ছেলে হয় তখন আমার স্বামী হঠাৎ অন্যরকম হয়ে যায়। আমার থেকে দূরে সরে যায়। তখন আর আমাদের ছেলেকে ও আদর করত না।

19106077_1899481363666532_4060526837810898748_n

“আমাদের বিয়ের পর প্রথম প্রথম বেশ সুখেই ছিলাম। এরপর আমার যখন ছেলে হয় তখন আমার স্বামী হঠাৎ অন্যরকম হয়ে যায়। আমার থেকে দূরে সরে যায়। তখন আর আমাদের ছেলেকে ও আদর করত না। আমাদের আর কোনো খোঁজ খবরও নেয় না। ফোন করলে ফোন ধরে না। শুনেছি অন্য কারো সাথে সম্পর্ক আছে। আমার সবসময় আফসোস থাকবে যে আমি পড়াশোনা করতে পারি নি। আমি কখনোই গার্মেন্টেস এর কাজের জন্য ছেলেকে সময় দিতে পারতাম না। এখন আমি একটা বাসায় কাজ করি। কিন্তু আমি পার্লার এর কাজ শিখতে চাই। কারণ আমার নিজের পার্লার দেওয়ার ইচ্ছা আছে। আমি স্বনির্ভরশীল হতে চাই। তাই কিছু টাকার প্রয়োজন। এজন্য জমাচ্ছিও। আমার ছেলে বড় হয়ে পুলিশ হতে চায়। আমিও তাই চাই।”

– গার্মেন্টস কর্মী


“After we got married, we were quite happy in the beginning. My husband began to act differently soon as out son was born. He grew distant from me. He didn’t care for our son even. Neither did he try to learn about our conditions. He never picked up when we called. I heard he is seeing someone else. I will always regret for not completing my education. I could never give proper time to my son because of this garments job. I work as a house-help nowadays. But I wish to learn the parlour trade. Because I want to open my own parlour shop. I want to be independent. Hence I am in need of some money. My son wants to be a policeman when he grows up. I wish the same!”

– An employee at a garment factory

This story is featured in Made In Equality, an initiative supported by C&A Foundation.