[Part 1/2] হেল্পার ছিলাম যখন তখন ওরা অনেক বেশি কাজ করাইতো। ছুটি দিতো না কোনো। শুক্রবার কাজ করতাম রাত ৮টা পর্যন্ত। মাসের দশ তারিখের আগে বেতন দিতো না আর এতো কাজের চাপে অসুস্থ হয়ে অবসেন্ট দিলে টাকা কাইটা রাখতো।

19143005_1899919816956020_7930356418736990848_o

[Part 1/2]

“গার্মেন্টসে কাজ করার ব্যাপারে কি বলবো বলেন। সব যে কষ্ট আর হাড়ভাঙ্গা খাটনির স্মৃতি। আমার পরিবারে বাবা, মা আর বোন আছে। জানেন? তিন বছর হলো গার্মেন্টসে কাজ করতেছি কিন্তু এই তিন বছরের খাটনির কথা ভাবলে মনে হয় কত বছর ধরে আমি এই কাজ করতেছি। শুরু করি হেল্পার হিসাবে তারপর আয়রনের কাজ করি আর এখন একজন অপারেটর হিসেবে কাজ করি। হেল্পার ছিলাম যখন তখন ওরা অনেক বেশি কাজ করাইতো। ছুটি দিতো না কোনো। শুক্রবার কাজ করতাম রাত ৮টা পর্যন্ত। মাসের দশ তারিখের আগে বেতন দিতো না আর এতো কাজের চাপে অসুস্থ হয়ে অবসেন্ট দিলে টাকা কাইটা রাখতো। একবার তো দুই মাস হয়ে গেছিলো, বেতনই দেয় নাই। আমি চাকরি ছাইড়া দিবো বলছিলাম বলে আমার বেতন নিয়ে ওরা ওরকম করছে। টাকা চাইলে ঘুরাইতো। আমি ওই ৬০০০ টাকা না নিয়েই চলে আসছি।” – একটি পোশাক কারখানার প্রাক্তন কর্মচারী


“What should I say about working in a garment factory? It’s relentless hard work. My parents and sister are my only family. You know, I have worked in a garment factory for last 3 years. Although I spent only 3 years, it feels like I have been there forever! I started off as a helper, then I moved on to do ironing for some time. Then I became an operator. When I was a helper I used to do a lot of work beyond my job responsibility. I never had a holiday then. I used to work until 8 PM at night even on weekends. They never gave me salary before at least, the 10th of the month; they used to cut off my salary if I was absent due to illness. This one time, they did not even give me my salary for two months straight. I decided to leave the job that’s why they were holding off my salary. When I used to ask for money they used to stall. Eventually, I left the job without taking that money.” – Ex-employee at a garment factory

This story is featured in Made In Equality, an initiative supported by C&A Foundation.