[Part 1/2] আমার মা যখন থামাতে আসতেন, আমার মাকেও মারতেন। কখনো হাতের জায়গায় চলতো কারেন্টের তার।য খন মার বন্ধ হতো, তখন অন্য মেয়ে ঘড়ে নিয়ে আসতেন।

19221430_1900302856917716_9206923602233804589_o

[Part 1/2]

“আমার পড়াশোনা সেভেন পর্যন্ত। ঢাকায় এসেছি অনেক আগে। পরিবারের আর্থিক অবস্থা ভাল না হওয়ায় বিয়ে হয়ে যায়। আমার স্বামীর আর্থিক অবস্থা আমাদের থেকে ভালো ছিল। বিয়ের প্রথম দিকে ভালই ছিলাম। তারপর হঠাৎ সব বদলে যাওয়া শুরু করল।আমার স্বামী আমাকে খুব মারতেন। আমার মা যখন থামাতে আসতেন, আমার মাকেও মারতেন। কখনো হাতের জায়গায় চলতো কারেন্টের তার।য খন মার বন্ধ হতো, তখন অন্য মেয়ে ঘড়ে নিয়ে আসতেন। মারের ভয়ে কিছু বলতামও না। একদিন আমাকে ছেরে দিয়ে আর এক জনকে বিয়ে করলেন। সেই সাথে তার দায় দায়ীত্ব বোধ হয় শেষ করে দিয়েছিলেন। আমার ছেলের যখন কিডনিতে অসুখ অনেক মিনতি করার পরো কোন সাহায্য দেননি। এমনকি ওষুধের টাকাটাও না। একা হয়ে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর চেষ্টা করতে থাকি। সেলাই মেশিনের কাজ শিখে গার্মেন্টসে কাজ করি চার বছর। আর এখন এই টেইলরসে।” – সাবেক গার্মেন্ট কারখানা কর্মচারী এবং একটি বর্তমান দরজী

“I read till class seven. I came to Dhaka a long time back. Due to our financial problems, I was married off early. My husband’s financial status was better than ours. In the beginning of our marriage, I was doing well but suddenly everything started to change. My husband used to hit me. Whenever my mother interfered, he used to beat her as well. Sometimes he even used electric wire instead of his hands. If he ever stopped hitting, he used to bring other women home and I couldn’t say anything in fear of getting hurt again. One day he married another woman and with it, all his duties towards me were over. When my son was suffering from kidney damage he didn’t help us. Not even with the money for medicine. From then onward, I tried to stand on my own feet. After learning to operate a sewing machine, I worked in a garment factory for four years. Now I’m working at a small tailor shop.” – A former garment factory employee and a current tailor

This story is featured in Made In Equality, an initiative supported by C&A Foundation.