অল্প যে কয়দিন ছিলাম, আমার কাজ ছিল কাটিং ডিপার্টমেন্টে। আমার সবসময়ই মনে হত, শ্রমিকদের চাওয়া-পাওয়া নিয়ে মালিকপক্ষের কখনই মাথাব্যথা ছিলনা। প্রায়ই দেখা যেত, শ্রমিকেরা তাদের মৌলিক অধিকার এবং সুবিধা থেকেও বঞ্ছিত হত।

23915765_1977634382517896_8125620783197282552_n

“আমি ছয়মাস একটা পোষাক কারখানায় কাজ করেছি। বলতে পারেন ঐ ছয়মাস আমার জীবনের খারাপ সময়গুলোর একটা। অনেক নিরাশা এবং তিক্ত অভিজ্ঞতা নিয়ে আমি কাজ ছেড়েছি।

অল্প যে কয়দিন ছিলাম, আমার কাজ ছিল কাটিং ডিপার্টমেন্টে। আমার সবসময়ই মনে হত, শ্রমিকদের চাওয়া-পাওয়া নিয়ে মালিকপক্ষের কখনই মাথাব্যথা ছিলনা। প্রায়ই দেখা যেত, শ্রমিকেরা তাদের মৌলিক অধিকার এবং সুবিধা থেকেও বঞ্ছিত হত। যারাই কর্মীদের অধিকার বা মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে সচেতন ছিল বা শ্রমিকদের হয়ে কথা বলত, মালিকপক্ষ তাদের একঘরে করে ফেলত। আমাকেও দমিয়ে একঘরে করে রেখেছিল। মালিকপক্ষ স্থানীয় শ্রমিকদের সাথে এগুলো নিয়ে কথা বলতে পছন্দ করত না দেখে আমাদেরকে এভাবে চুপ করিয়ে রাখা হত।”

– একটি পোশাক কারখানার সাবেক কর্মচারী


“I worked in a garment factory for six months. Let’s just say, it was not the best time of my life. I left that work with a bitter feeling and a lot of disappointment.

I used to work in the cutting department. While I was there, I constantly felt that the authority never took the workers seriously. Often, workers would be deprived off of very basic rights and allowances. They would marginalize workers who wanted to voice their rights and opinions. Soon after joining the workforce, I became one of the marginalized and suppressed ones. Because the authority did not feel comfortable dealing with workers who were able to voice their concerns and demand for their rights, they laid off a bunch of people. I was one of them”

– A former employee at a garment factory

This story is featured in Made In Equality, an initiative supported by C&A Foundation.