[Part 2/2] গ্রামের জমি বন্ধক রাখা। প্রত্যেক মাসে ২০০০ টাকা সুদ দিতে গিয়ে মুল টাকাটাও ফেরত দেয়া হয়না। গত এক বছর ধরে শরীরের এই অবস্থার কারনে কাজও করতে পারিনা।

fullsizeoutput_b5c

[Part 2/2]

“আমি অসুস্থ হওার পর মধুবাগে এক হস্পিটালে যাই চিকিৎসার জন্য। ভুল চিকিৎসার কারনে আরও বেশি ক্ষতি হয়ে জায়। এরপর এক এক করে কমিউনিটি ক্লিনিক, পদ্মা ডায়াগনস্টিক সেন্টার এমনকি ভোলা সদর হাঁসপাতালে যাই। কোনটাতেই লাভ হয় না। ভোলা সদর হাঁসপাতাল থেকে অনেক পাওয়ারের এন্টিবাওটিক দেয়। চিকিৎসার পেছনে দৌড়াতে দৌড়াতে ঘাড়ে এক লক্ষ টাকারও বেশি ঋণ চেপে বসে। গ্রামের জমি বন্ধক রাখা। প্রত্যেক মাসে ২০০০ টাকা সুদ দিতে গিয়ে মুল টাকাটাও ফেরত দেয়া হয়না। গত এক বছর ধরে শরীরের এই অবস্থার কারনে কাজও করতে পারিনা। জ্বর মাথা ব্যাথা কাশির সাথে বাইরে জেতে হলে একটা চশমা লাগে। কোনটারও চিকিৎসা করানো আমার পক্ষে সম্ভব না। আর নিজের পায়ে দাঁড়ানোর আনন্দতো এখন শুধু স্বপ্ন” – একটি তৈরি পোশাক কারখানার শ্রমিক

– একটি তৈরি পোশাক কারখানার শ্রমিক


“After I got sick, I went to a hospital in Madhubag for treatment. I faced more problem due to inappropriate treatment. Hence, I went to The Community Clinic, Padma Diagnostic Center, and Bhola Sadar Hospital one by one but nothing was working. In Bhola Sadar Hospital, they applied many powerful antibiotics. More than one lakh taka loan incurred running behind treatment which is a burden. The original amount is not refunded after paying the rent of 2000 taka every month while keeping the land mortgaged. I cannot work because of this physical condition from last one year. Along with fever, headache, I need glasses to go outside. It is not possible for me to treat any of this diseases. Besides, standing on my feet is becoming a dream.”

– Employee at a garment factory

This story is featured in Made In Equality, an initiative supported by C&A Foundation.