গার্মেন্টসের কাজ খারাপ না। খালি না আসলে বা কথা না শুনলে বেতন পেতে দেড়ি হয়।পড়াশোনা করতে ভালো লাগতো না। কিন্তু আশা ছিল প্রতিষ্ঠিত হবো।

19059544_1900873930193942_7541385468149142064_n

“আমার বাড়ি শেরপুর, ময়মনসিংহ। পড়াশোনা ক্লাস ফাইভ পর্যন্ত। আমার বাবা মাঝে মাঝে রিক্সা চালায়, মা বাসায় কাজ করে। ২০১২ সালে ঢাকায় আসি চাকরির খোঁজে। প্রথমে কাজ শুরু করি পেওন হিসাবে।ছয় মাস পরে আইরনের কাজ আর তারপর অপারেটর।গার্মেন্টসের কাজ খারাপ না। খালি না আসলে বা কথা না শুনলে বেতন পেতে দেড়ি হয়।পড়াশোনা করতে ভালো লাগতো না। কিন্তু আশা ছিল প্রতিষ্ঠিত হবো। গ্রামে বাবা মার জন্য বাড়ী করেছি। এর জন্য ঋণও নিতে হয়েছিল।ঋণ শোধ হয়ে গেলে বাবা মা বাড়ী চলে যাবেন।আর আমি নিজের একটা দোকান করবো।” – একটি তৈরি পোশাক কারখানার শ্রমিক


“I’m from Sherpur, Mymensingh. I have studied till grade five. My father drives a rickshaw for a living; mother works as a maid. I came to Dhaka in search of a job. At first, I started working as a clerk. After six months started ironing dresses and then became an operator at a garment factory. Working at a garment factory is not that bad. However, if we’re frequently absent or if we do not follow orders accordingly, then salary gets delayed. I would have felt better if I could have studied. But, I had hopes of establishment. I built a small house for my parents back in my village. I had to take a loan for that, though. Once I’m done paying back the debt, my parents can go back home. And I will start my own business.” – Employee at a garment factory

This story is featured in Made In Equality, an initiative supported by C&A Foundation.