[Part 1/2] এখন আমার বেতনও বেশ ভাল বলা যায়। আমার পাশাপাশি আমাদের সংসারে আমার মা আর বোনও যোগ দেই; আমার মা কিছু বাসায় কাজ করে আর আমার বোন আমার সাথে গার্মেন্টসে যায়।

19106012_1900846120196723_7749383941395227583_n

[Part 1/2]
 
“আমার দেশের বাড়ি বরিশাল । গত সাত বছর ধরে আমি কড়াইলে থাকি । আমি যখন তৃতীয় শ্রেণীতে পড়তাম তখন আমার বাবা মারা গিয়েছিলেন। এখন আমার বাড়িতে থাকে আমার মা, তিন বন আর এক ভাই। পরিবারের দেখাশোনা করার জন্য আমাকে চাকরি করতে বাদ্ধ হতে হয়। তাই গার্মেন্টসে যোগ দিতে হয়েছে। প্রায় ছয় বছর ধরে এই চাকরি করছি। এত বছর কাজ করে বেশ ভালই অভিজ্ঞতা হয়েছে গার্মেন্টস সেক্তরে। এখন আমার বেতনও বেশ ভাল বলা যায়। আমার পাশাপাশি আমাদের সংসারে আমার মা আর বোনও যোগ দেই; আমার মা কিছু বাসায় কাজ করে আর আমার বোন আমার সাথে গার্মেন্টসে যায়। মাস শেষে আমাদের সবার রজকার মিলে মটামটি ভাল ভাবে আমাদের দিন কাটে, তারপরও সংসারে অভাব থাকতেই পারে । তাই আমি এই চাকরি যত দিন সম্ভব চালিয়ে যাব।” – একটি তৈরি পোশাক কারখানার শ্রমিক
 

“My hometown is Barisal. For the last seven years, I have been living in Karail. When I was in class 3, my father passed away. My mother, 3 sisters, and one brother complete my family. It became my responsibility to take care of my family. That is why I joined the garment’s factory. Working in the garment industry for the last six years has given me good experiences. Now my salary is also quite decent. Besides me, my mother and sister also partake in taking care of our family; my mother works in a few houses and my sister goes to the factory with me. At the end of the month, our accumulated earnings usually cover all our expenses, however, there can be an unexpected deficit anytime. So, I wish to continue working for as long as possible.” – Employee at a garment factory
 
 
 

This story is featured in Made In Equality, an initiative supported by C&A Foundation.