চেয়ারম্যান বাড়ির গার্মেন্টসে অনেক মেয়েই কাজ করে। ব্যস্ততার ফাঁকে ফাঁকে অনেকসময় তাদের সাথে গল্প করি। আমার পাশের বাসার ভাবীও সেখানে কাজ করেন। মাঝে মধ্যে, একসাথে যাওয়া আসা করি । কাজ নিয়ে ভালই সময় কাটছে।”

26168759_1994491407498860_2313421589401077822_n

“আমি গার্মেন্টসে কাজ করছি মাত্র দুইদিন। আগে কখনও কাজ করিনি। অভাবে পড়ে করতে এসেছি। মনে অনেক দ্বিধা-সংশয় ছিল। গার্মেন্টসের কাজ মানুষ ভালো চোখে দেখে না। তাছাড়া কাজের চাপও অনেক বেশি।

আমাদের দুইটা মেয়ে। একজনের বয়স পাঁচ, অন্যজনের আড়াই। একজনকে নানীবাড়ি গাজীপুর এবং অন্যজনকে দাদীবাড়ি নেত্রকোণায় রেখে এসেছি। এখানে আমরা যত ছোট বাসা নিয়ে থাকি, ওদেরকে সাথে রাখা সম্ভব না। আর বড় বাসার ভাড়াও বেশি। তা ছাড়া ওখানে থাকলে ওদের পড়াশোনা অার যত্ন দুটোই ভালো হবে। খারাপ লাগে তবে ওদের ছাড়া থাকতে।

চেয়ারম্যান বাড়ির গার্মেন্টসে অনেক মেয়েই কাজ করে। ব্যস্ততার ফাঁকে ফাঁকে অনেকসময় তাদের সাথে গল্প করি। আমার পাশের বাসার ভাবীও সেখানে কাজ করেন। মাঝে মধ্যে, একসাথে যাওয়া আসা করি । কাজ নিয়ে ভালই সময় কাটছে।”

– একজন গার্মেন্টস কর্মী


“It has been only two days since I have started working in a garment factory. I have never worked before. However, given our financial condition, I finally decided to start working. I was in quite a dilemma about joining here because most people around us don’t have a great perception of this field of work. The workload is also immense!

We have two daughters. One is five years old and the other is just two and a half. One of our daughters lives with my mother in Gazipur and the other one lives at my in law’s place with my mother in law in Netrokona. It is not possible to keep them here with us because our house is too small and we cannot afford a bigger place. Also, they are receiving a better education and a better upbringing there. However, it is not easy for us to live without them.

A lot of women work at the garment factory at Chairmanbari. Sometimes we chat and gossip in between work. One of my neighbors works there as well. Sometimes we go to work together. I am spending a good time at work.”

– A new contributor to the Bangladeshi RMG workforce

This story is featured in Made In Equality, an initiative supported by C&A Foundation.