আমি ও আমার এক সহকর্মী গুলশানের থেকে বনানী শোরুমে একসাথে যাতায়াত করতাম। প্রতিদিন, আমরা অনেক মানুষ দেখতে পেতাম যারা যাত্রার পোশাক পরেছিল। খুবই বিনোদনের বিষয় ছিল আমাদের জন্য এটি। আমরা প্রতি দিন কমপক্ষে এরকম ২ থেকে ৩ জনকে দেখতে পেতাম।

31081454_2053325044948829_3953768277892661248_o

[Part 1/2]
 
“একটি সেলাই মেশিন ও মনে অনেকটুকু আশা নিয়ে, ১৮ বছর আগে আমি এখানে কাজ করা শুরু করেছিলাম। যাত্রাতে যেই কাপড়গুলো বিক্রি হতো, তার পুরোটা আমি তখন একাই বানাতাম। আমরা তখন অনেক ছোট ছিলাম। ঠিক ১৮ বছর পর, এখন আমরা পুরো দল সহ এখানে, যারা কাপড় কাটা, সেলাই আর বিভিন্ন বিভাগে বিশেষভাবে পারদর্শী। এখন আমি পুরো দলটিকে দেখাশোনা করি।
 
এটা আমার জন্য অনেক গর্বের ও আনন্দের বিষয় যখন আমাদের সুন্দর কাজগুলো যাত্রায় দেখানো হয়। ব্যপারটা আরও আনন্দের হয়ে উঠে যখন কেও আমাদের বানানো কাপড় পরে। একবার এরকম হয়েছিল, একটি অনুষ্ঠানে আমার একজনের সাথে দেখা হয়েছিল যে আমার সেলাই করা কাপড় পরে ছিল। তখন আমি তার কাছে গিয়ে বললাম “কাপড়টি আমি বানিয়েছিলাম”। সে শুনে খুব খুশি হয়েছিল আর বললো তার আমাদের কাজ খুব পছন্দ।
 
আমি ও আমার এক সহকর্মী গুলশানের থেকে বনানী শোরুমে একসাথে যাতায়াত করতাম। প্রতিদিন, আমরা অনেক মানুষ দেখতে পেতাম যারা যাত্রার পোশাক পরেছিল। খুবই বিনোদনের বিষয় ছিল আমাদের জন্য এটি। আমরা প্রতি দিন কমপক্ষে এরকম ২ থেকে ৩ জনকে দেখতে পেতাম।”
– ঢাকায় একটি পোশাকের দোকানের মাস্টার
 

 
“18 years ago, I started working here with one sewing machine and a heart full of hope. I alone made all the clothes which were being displayed at Jatra. We were tiny back then. 18 years later, here we are, with a team of makers specialized in cutting, sewing, etc departments individually. I lead the full clothing team here now.
 
It fills me with a lot of pride and joy to see our work showcased beautifully at the showroom. It feels even better when I see someone walk by wearing the clothes we’ve made. This one time, I met someone at an event who was wearing a dress I had sewn myself. I went up to her and told her, “I made that dress”. To my sweet surprise, she was delighted! She thanked me for talking to her and told me that she loved our work.
 
One of my colleagues and I used to commute from Gulshan to our Banani showroom together. Every day, we used to count how many people were wearing Jatra attires. It used to be a quite an entertainment! We were able to spot at least 2-3 people almost every day.”
– Master at a retail clothing shop in Dhaka

This story is featured in Made In Equality, an initiative supported by C&A Foundation.