ওর মনে হলে কাজ করে। আমার সবকিছু একাই করা লাগে। আমি গার্মেন্টসের চাকরি ছেড়ে দিয়েছি অসুস্থতার কারণে। আমি আমার বড় ছেলেকে পড়ানোর চেষ্টা করছি কিন্তু সে পড়তে চায় না।

19055332_1900784500202885_3018579527057708917_o

“আমি ১৯৯৬ সাল থেকে গার্মেন্টেসে কাজ করি। আমার বাড়ী ঢাকায়। ছোটবেলায় প্রচন্ড দুষ্ট ও ফাঁকিবাজ ছিলাম। আমার শিক্ষকরা আমাকে বকা দিতেন। এজন্য পড়াশোনা বন্ধ করে দিয়েছিলাম। এখন অনেক আফসোস হয়। আমার স্বামী আমাকে বেশী সাহায্য করে না। ওর মনে হলে কাজ করে। আমার সবকিছু একাই করা লাগে। আমি গার্মেন্টসের চাকরি ছেড়ে দিয়েছি অসুস্থতার কারণে। আমি আমার বড় ছেলেকে পড়ানোর চেষ্টা করছি কিন্তু সে পড়তে চায় না। ছোট ছেলেটাও তাই কিন্তু তাও আমি চেষ্টা করছি। বর্তমানে টাকা জমাচ্ছি সেলাই মেশিন কেনার জন্য। আমার টেইলর শপ দেওয়ার ইচ্ছা।”

– সাবেক গার্মেন্টস কর্মচারী


“I have been working in a garment factory from 1996. I’m from Dhaka. I was a very reckless kid. My teachers used to get mad at me and scold me too often. That’s why I stopped studying. However, I regret that decision. My husband does not really support me. He only works when he wants to. I have to fulfill all the family responsibilities by myself. I have left my job at garment factory due to illness. I have tried everything in my ability to make my son study but, he’s just not into it. My younger son also has similar issues, but I’m not giving up. Currently, I’m saving up money for a sewing machine. I want to start my own tailor shop soon.”

– Former Garment Worker

This story is featured in Made In Equality, an initiative supported by C&A Foundation.