বাড়ীর উপরে একটা ঋণ ছিল। সেই ঋণ শোধ করতে আর একটা ভালো জীবনের আশায় ঢাকায় আসা। আমাদের একটা ছেলে আছে, ক্লাস টুতে পড়ে। আমরা তিনজন এই ঘড়টাতে থাকি।

19030584_1900288090252526_8817367294393108195_n

“আমাদের বাড়ি গাইবান্ধা, পড়াশোনা সেভেন পর্যন্ত। আমাদের পুরো পরিবার ওখানে থাকে। বাড়ীর উপরে একটা ঋণ ছিল। সেই ঋণ শোধ করতে আর একটা ভালো জীবনের আশায় ঢাকায় আসা। আমাদের একটা ছেলে আছে, ক্লাস টুতে পড়ে। আমরা তিনজন এই ঘড়টাতে থাকি। আমার স্বামী থাই গ্লাসের কাজ করেন আর আমি গারমেন্টসে। হুটহাট আসি দুপুরে, কোনোরকম খাই তারপর আবার ছুটি কাজে। কখনো আমার স্বামী রান্না করে রেখে যান। দুই জনই আয় করি ঠিকি কিন্তু তাতে কোনোরকম চলে আমাদের। কিছু টাকা যে আলাদা রাখবো তা আর হয় না। মাঝে মাঝে মনে হয় পড়াশোনাটা শেষ করলে ভালো হতো। এখন ইচ্ছা থাকলেও কোন উপায় নেই। তাই চাই ছেলেটা ভালোভাবে পড়াশোনা করবে, ভালো কিছু হবে। আর ঋণটা যখন শেষ হবে, গ্রামে একটা বাড়ী করবো।”

– একজন গার্মেন্টস কর্মী


“I’ve studied till class seven in our hometown, Gaibandha. My whole family lives there. We had a loan on our house. In hope to repay the loan and a better life, my husband and I came to Dhaka. We have a son; he reads in class two. All three of us live in this house. My husband works at a Thai Glass shop and I work in a garment factory. I always come home in a rush, eat quickly, and run back to work again. Sometimes my husband prepares the food before heading out for work. Although we both work, we can still hardly make ends meet. We can never manage to save money for the future. Sometimes, I think it would be so much better if I had completed my studies. But that’s not an option for me anymore. Thus, I want my son to study well and do well in life. Once we are able to repay the loan, I wish to build a house back in our village.”

– An employee at a garment factory

This story is featured in Made In Equality, an initiative supported by C&A Foundation.