গত সাত বছর ধরে আমি গার্মেন্টসে চাকরি করছি। প্রথমে আমি হেল্পারের কাজ করতাম আর এখন আমি অপেরাটর। ছোটবেলা থেকেই আমার স্বপ্নছিল ডাক্তার হব। কিন্তু এইটা বাস্তব না আর কখনো হয়ত বাস্তব হবেও না। ষষ্ঠ শ্রেণী পর্যন্ত পড়া মেয়ে ডাক্তার হবে কিভাবে?

19059299_1900278113586857_2274318391465977073_n

“আমি ময়মনসিংহ থকে ২০১০ সালে ঢাকায়ে এসেছি। গ্রামে থাকতাম অতি দারিদ্রতায় কিন্তু প্রায়ই ছেলেদের হয়রানির শিকার হতে হত। ভাল জীবন আর নিরাপত্তার জন্য দেশের বাড়ি ছেড়ে চলে আসি ঢাকাতে। গত সাত বছর ধরে আমি গার্মেন্টসে চাকরি করছি। প্রথমে আমি হেল্পারের কাজ করতাম আর এখন আমি অপেরাটর। ছোটবেলা থেকেই আমার স্বপ্নছিল ডাক্তার হব। কিন্তু এইটা বাস্তব না আর কখনো হয়ত বাস্তব হবেও না। ষষ্ঠ শ্রেণী পর্যন্ত পড়া মেয়ে ডাক্তার হবে কিভাবে?
দুই ছেলে-মেয়ে আর স্বামীকে নিয়েই আমার সংসার। আমার স্বামী একজন রিক্সাচালক। দারিদ্রতার ছায়া থেকে পুরোপুরি বের হয়ে আসতে না পারলেও, আমাদের পরিবার বেশ ভালই আছে। আমি ডাক্তার কখনোই হতে পারব না, কিন্তু এই স্বপ্নটি এখনো বেঁচে আছে। তাই আমি চাই আমার সন্তানরা যাতে ভাল মত পড়াশোনা করে নিজের পায়ে দারায়। আমার আশা আমার সন্তানরা একদিন আমার এই স্বপ্নটিকে বাস্তব করবে।”

– একটি পোশাক কারখানায় একজন কর্মচারী


“I came to Dhaka from Mymensingh in 2010. I used to live in extreme poverty back in my village and often had to face harassment from the local men. That is why I left my home, in hope of a better life and security. I am working in a garment factory for the last seven years. In the beginning, I used to work as a helper, but now I am an operator. I have always dreamt of becoming a doctor ever since I was a child. However, that is not the reality. How can a girl who only went to school until the sixth grade ever become a doctor?
I have a son, a daughter and my husband in my family. My husband is a rickshaw puller. Although we could not totally escape from the shadows of poverty, my family is still doing well. I can never become a doctor, but my dream is still alive. Therefore, I want my children to have a decent education and be able to stand on their own feet. My desire is that my children will accomplish my incomplete dream someday.”

– Employee at a garment factory

This story is featured in Made In Equality, an initiative supported by C&A Foundation.