অনেক ইচ্ছা ছিল পড়াশোনা করার। আমি আমার নানীবাড়ি টাঙ্গাইলে বড় হয়েছি। সেখানে লেখাপড়া করতাম। ঢাকায় এসেও ক্লাস সেভেন পর্যন্ত পড়েছি। কিন্তু বাবার জন্য সংসার চালানো খুব কঠিন হয়ে পড়ে। পড়ালেখার স্বপ্ন ভুলে গিয়ে তাই আমি গার্মেন্টসে কাজের খোঁজ করতে থাকি। অনেক গার্মেন্টস ঘুরেছি কাজের জন্য।

25587993_1989303654684302_4337243063959935075_o

“গার্মেন্টসে কাজ করছি প্রায় আড়াই বছর ধরে। আমি কাজ শুরু করি মহাখালীতে , তারপর গাজীপুরে ঐ একি গার্মেন্টসের অন্য একটা বিভাগে যোগ দেই। গজিপুরে কর্মরত থাকা অবস্থায়, কর্তৃপক্ষ,যাতায়েত ব্যবস্থা করে দিয়েছিলো। আমার যে কি কষ্ট হতো সকালে উঠতে কিন্তু তারপরও কিভাবে জানি সময়মতো পৌঁছে যেতাম! কিন্তু প্রতি রাতে ফিরতে দুই-আড়াই ঘন্টা ( বা বেশি) লেগে যেত। এতো ক্লান্ত হয়ে যেতাম! তাই তারপর, চেয়ারম্যানবাড়ির একটা গার্মেন্টসে কাজ নেই। এখনো ওখানেই কাজ করি।
 
অনেক ইচ্ছা ছিল পড়াশোনা করার। আমি আমার নানীবাড়ি টাঙ্গাইলে বড় হয়েছি। সেখানে লেখাপড়া করতাম। ঢাকায় এসেও ক্লাস সেভেন পর্যন্ত পড়েছি। কিন্তু বাবার জন্য সংসার চালানো খুব কঠিন হয়ে পড়ে। পড়ালেখার স্বপ্ন ভুলে গিয়ে তাই আমি গার্মেন্টসে কাজের খোঁজ করতে থাকি। অনেক গার্মেন্টস ঘুরেছি কাজের জন্য।
 
প্রথমে বয়স কম দেখে কেউ কাজ দিচ্ছিল না। পরে অনেক জোরাজুরি করাতে নিল। আমার কাজটা অপারেটরের। অনেক কাজের চাপ থাকায় মাঝে মাঝে ওভারটাইম করতে হয়। তবে রাত দশটার পর থাকি না।
 
নানীবাড়ি খুব যেতে ইচ্ছা করে। ওখানে বড় হয়েছি তো তাই হয়তো। সেখানকার মানুষগুলোও তাই আমার অনেক আপন। এখনও যাই ঈদের বন্ধে। খালা মামাদের বাড়িতে ঘুরাঘুরি করে আনন্দে সময় কাটে। সারাবছর এই সময়টার জন্য আমি অত্যন্ত আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করি।”
– একজন গার্মেন্টস কর্মী
 

 
“I have been working in the garment industry for almost two and a half years now. I started off at a garment factory in Mohakhali, and then I moved to a different department in the same factory in Gazipur. While employed at the Gazipur factory, transportation was provided for us by the employer. I’d convince myself to wake up early morning and somehow we made it to work on time most days. However, it would take us approximately two and a half hours (or more!) to return home at night every day. It was awfully hectic. Eventually, I switched to a garment factory in Chairmanbari. That’s where I work now.
 
I grew up in Tangail at my grandparent’s place. I used to study there. Even after moving to Dhaka, I studied up to class seven. That’s when I noticed how my father was struggling to run our entire family on his own. I chose to keep my education aside for the time being and started looking for work. I used to swing by at various garment factories to find work.
 
At first, my age would immediately get me disqualified. After some time and a lot of persuasion, I was able to find work at one garment factory. Now I work as an operator. Since there is a lot of workload, occasionally, we need to do overtime.
 
I really miss going to my grandmother’s place. Maybe it is because I grew up there. I feel connected to the people there. I still visit my grandma during Eid vacations. I love visiting my uncles and aunts there. I look forward to that time of the year!”
– Employee at a garment factory

This story is featured in Made In Equality, an initiative supported by C&A Foundation.