টার্গেট পূরণ করতে সবাই বেশ খাটনি করে। শুরুতে প্রায়ই টার্গেট পুরপুরি পূরণ না করার জন্য বকা খেতাম। কিন্তু এখন সবাই মিলে একটা পরিবারের মত হয়ে গেছে। এমনকি আমার সুপারভাইজারের সাথেও আমার সম্পর্ক খুব ভাল।

25395065_1988378051443529_6826340506332309902_o (1)

[Part 2/2]

“প্রায় দুইবছর ধরে আমি চৌধুরীবাড়িতে একটা গার্মেন্টস এ আইরনম্যানের কাজ করছি। পড়াশোনা করেছি ক্লাস ফোর পর্যন্ত।এখানে আমার সাথে প্রায় ১৫-২০ জন আইরনম্যানের কাজ করে । টার্গেট পূরণ করতে সবাই বেশ খাটনি করে। শুরুতে প্রায়ই টার্গেট পুরপুরি পূরণ না করার জন্য বকা খেতাম। কিন্তু এখন সবাই মিলে একটা পরিবারের মত হয়ে গেছে। এমনকি আমার সুপারভাইজারের সাথেও আমার সম্পর্ক খুব ভাল।

প্রতি বছরের প্রথম দিনে, আমরা সবাই মিলে ফ্যাক্টরি থেকে দূরে কোথাও না কোথাও পিকনিকে যাই। বেশ মজা হয়! গতবছর গিয়েছি সিলেটে, এই বছর কক্সবাজার যাবার কথা। আমার এখানে কাজ করতে খুব ভালো লাগে ঠিকি কিন্তু নিজের উন্নতির ব্যাপারটাও মাথায় রাখতে হয়। আমার পাঁচ ভাই বোন। আমি মেজো। আমাদের একটা খাবার হোটেল আছে। বেশ ভালই চলছে হোটেলটা। আমি এই কাজ ছাড়ার পর আমার পুরো সময় হোটেলে দিবো।”


“I have been working in a garment factory in chairman bari for two years now. I am working in the ironing department. I studied till class four. Almost 15 -16 ironmen work with me here. We all work very hard to meet our targets. Initially, I used to get scolded for not fully completing my targets. However, now everyone here feels like family. Even the supervisor and I have a great relationship now.

We go for picnics from work every year. It is a lot of fun! Last year, we went to Sylhet and this time, we are planning to go to Cox’s Bazar. It’s true that I love working here but sometimes you need to think about your own betterment. I have five siblings and I am the second of the five. We have a hotel that is doing really well. After leaving this job, I want to give my full time to the hotel.”

This story is featured in Made In Equality, an initiative supported by C&A Foundation.