যেখানে হল সেখানে সেই ভোরে উঠে যাওয়া লাগতো। সবই ঠিক ছিল কিন্তু প্রথম দিন গিয়ে দেখি না দুপুরের খাবার আছে না বেতন। কিন্তু কিছুদিন যাওয়ার পর বুঝলাম ওয়েট প্রসেস এর কাজ শেখার জন্য এর থেকে ভালো জায়গা হবেনা। কারন এরকম ফ্যাক্টরি খুব কমি আছে বাংলাদেশে। এতে দুঃখ কিছুটা হলেও কম হয়েছে।

29792905_2044470815834252_4886565660538175488_o

[Part 1/3]

আমাদের দেশে কেউ সচরাচর টেক্সটাইলে পড়েনা । ইঞ্জিনিয়ারিং এর বিশয় এটা ঠিকি কিন্তু অন্য সব শাখা থেকে বেশ আলাদা। এটা ছাড়া অন্য সব থেকে টেক্সটাইলে চাকরী পাওয়া সহজ কারন এই ক্ষেত্রে শিক্ষিত ও দক্ষ লোকের এখনো অনেক চাহিদা। আর এ ছাড়া পরিবারে কিছু আর্থিক ঝামেলাও ছিল। সেই থেকে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং এ পড়াশোনা শুরু। আমি যখন ইন্টার্নশিপ করতে যাই, যেই কম্পানিতে কাজ করতে চাচ্ছিলাম সেখানে সম্ভব হয়ে উঠেনি।

যেখানে হল সেখানে সেই ভোরে উঠে যাওয়া লাগতো। সবই ঠিক ছিল কিন্তু প্রথম দিন গিয়ে দেখি না দুপুরের খাবার আছে না বেতন। কিন্তু কিছুদিন যাওয়ার পর বুঝলাম ওয়েট প্রসেস এর কাজ শেখার জন্য এর থেকে ভালো জায়গা হবেনা। কারন এরকম ফ্যাক্টরি খুব কমি আছে বাংলাদেশে। এতে দুঃখ কিছুটা হলেও কম হয়েছে।

আর ক্ষুধার জন্যতো পাশের দোকানের সিঙ্গারাগুলো ভালোই ছিল।

– একজন সাবেক টেক্সটাইল ফ্যাক্টরি কর্মী

 



Textile engineering is not a popular subject in our country. Even though it is technically engineering, it is different from all the other engineering disciplines. It is easy to land a job in textile engineering as well. This is because of lack of educated and skillful people in this field. We were facing some financial crisis at home. All of this led me to pursue textile engineering. I had a specific company in mind when I was looking for companies to do my internship in. However, eventually, I could not land that internship opportunity.

The company where I did my internship was located in Gazipur. I had to wake up really early in the morning. On the very first day, we realized that we were neither going to get paid nor were we getting lunch from the workplace. We were upset in the beginning but eventually, we realized that this is one of the best places where we can learn about “wet processing” because there are very few factories like this in Bangladesh. This uplifted our spirits a little.

On a brighter side, there was always shingara available at the shop nearby.

– A former employee at a garment factory.

This story is featured in Made In Equality, an initiative supported by C&A Foundation.