আমার লক্ষ্য, আমার কাজের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশী ঐতিহ্য, যেমন নকশী কাঁথা, জামদানী, তাঁত, মসলিন এর ব্যবহার তুলে ধরা। এই কারণেই যাত্রা এর সাথে যোগ দেয়া।

1899959_10152019602048191_1779167008_n

“আমি ফ্যাশন ডিজাইনিং নিয়ে পড়েছি ইংল্যান্ড থেকে। শুরু থেকেই আমি এথিকাল ফ্যাশন নিয়ে কাজ করতে চেয়েছি। আমি বিবি রাসেল এর কাছে ইন্টার্নশিপ করার সুযোগ পাই। সেখান থেকেই আমার আনুশেহ ও অন্যান্য বাংলাদেশী শিল্পী এর সাথে পরিচয়। আমি সবসময় পাট ও তুলার মতো বাংলাদেশী উপাদান নিয়ে কাজ করতে চেয়েছিলাম কারণ এগুলো এথিকাল ফ্যাশন সাথে ভালভাবে যায়। আমার লক্ষ্য, আমার কাজের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশী ঐতিহ্য, যেমন নকশী কাঁথা, জামদানী, তাঁত, মসলিন এর ব্যবহার তুলে ধরা। এই কারণেই যাত্রা এর সাথে যোগ দেয়া। যাত্রা আমাকে আমার লক্ষ্যের সাথে মানানসই কাজ করে। আমরা যে কাপড় বানাই তা প্রত্যেকটাই এক একটি শিল্পবস্তু আর শিল্প তৈরী করতে সময় প্রয়োজন। আমরা এমন শিল্প তৈরি করতে চাই যা পরিবেশ ও মানুষের জন্য ক্ষতিকারক না হয়। আমাদের প্রতিটি কাপড় হাতে তৈরী। যার কারণেই দামও একটু বেশী। কিন্তু মানুষ চায় যুগের সাথে তাল মিলিয়ে নতুন ফ্যাশন এর কাপড় কম দামে কিনতে। আর এই মনোভাবই আমাদের এথিকাল ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রির জন্য বাঁধা হয়ে উঠছে।
ফাস্ট ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রির কর্মীরা খুব একটা ভাল নেই। এর কারণ গার্মেন্টসের মালিকদের মূল্যবোধ ও নৈতিকতার অভাব। তারা কেবলই নিজেদের লাভের কথা চিন্তা করে কিন্তু কর্মীদের সুযোগ সুবিধাগুলো বিবেচনা করে না। তারা বুঝতে পারে না দীর্ঘমেয়াদী লাভ তখনই সম্ভব যখন তাদের কর্মীরা লাভবান হবে। বিদেশী ক্রেতারা শ্রমিকদের বাস্তব অবস্থা সম্পর্কে অবহিত নয় কারণ তাদের সামনে শুধুমাত্র ভাল দিকগুলোই তুলে ধরা হয়। এই পরিস্থিতি পরিবর্তন তখনই হবে যখন মালিকপক্ষ কর্মীদের প্রতি তাদের দৃষ্টিভঙ্গি বদলাবে। তবে রানা প্লাজার দূর্ঘটনার পর মানুষ এখন শ্রমিকদের কষ্টের কথা জানতে পারছে। আমি অনেকেই চিনি যারা রানা প্লাজার ঘটনার পর গার্মেন্টস ছেড়ে দিয়ে এথিকাল ফ্যাশন নিয়ে কাজ করছে। এখন বাইরের ক্রেতারাও জানতে চায় শ্রমিকদের আসল অবস্থা কি।”

– একজন বাংলাদেশি ফ্যাশন ডিজাইনার


“I studied fashion designing in England. From the beginning, I wanted to work with ethical and sustainable fashion rather than mainstream fashion. I got a chance to do my internship with Bibi Russell and that is how I got to know Anusheh and other Bangladeshi artisans. I always wanted to work with Bangladeshi material like jute and cotton since it goes well with sustainable fashion. My vision is to promote our heritage through my work such as jamdani, nakshi katha, tant and muslin. I chose Jatra because it helped me sustain that vision. For us, the clothes we make are a piece of art and art takes time to create. We want to create art which is harmless for both environment and people. Each and every piece is made by hand. Thus, the prices are higher in this industry than other fast fashion clothes.

Customers want trendy clothes at cheap prices, and that is why the ethical fashion industry is struggling. The workers in the fast fashion industry are not doing very well. This is because the owners are only thinking about themselves due to lack of ethics and morality. They run after profit, ignoring long-term benefits which can only be achieved by taking care of the workers, not the other way around. Even the international buyers are failing to see the real picture of the workers because the owners are showing them only the brighter side. In order to change the situation, the owners must change their behavior towards the workers. However, after the Rana Plaza incident, people are becoming more aware of the situation. I know many people who are leaving garment and working with ethical industry after the Rana Plaza incident. Now the buyers try to see the real picture of the garment workers.

– A Bangladeshi fashion designer

This story is featured in Made In Equality, an initiative supported by C&A Foundation.