নানা উপায়ে অন্য কোন পেশায় যাবার চেষ্টা করেছি। কিন্তু সফল হতে পারিনি। এখন আমার মনে এই পেশার জন্য বিরক্তি আর হতাশা ছাড়া কিছুই নেই।

24831390_1981692992112035_7325996067246213883_o

“স্কুলে পড়া ছোট এক বাচ্চা আর স্ত্রীকে নিয়ে আমার সংসার। ছোটবেলায় লেখাপড়ার মনোযোগ এবং আগ্রহ দুটোই কম ছিলও। এখন আফসোস করি। যে পেশা বেছে নিয়েছি তাতে না চলে পেট, না আছে সন্মান।যতই গুরুত্বপূর্ণ এবং পরিশ্রমের হোক, এই কাজে নূন্যতম সন্মান নেই। আমার এক বন্ধু তার বোনকে বিয়ে দিতে গিয়েও, ছেলে দর্জি বলে শেষে বিয়ে দেয়নি ছেলে দর্জি বলে। আমার মধ্যে প্রচন্ড হতাশা কাজ করে এখন এই পেশা নিয়ে। কিন্তু কিছুতেই ছাড়তে পারিনা। মাঝখানে এক চাচার থেকে দোকান কিনে কাজ করার উদ্যোগ নিয়েছিলাম।শেষমেশ হয়ে উঠেনি। সৌদি আরবে যেয়ে জীবনের মোড় ঘুরাতে চেয়েছি। তাও হয়নি। নানা উপায়ে অন্য কোন পেশায় যাবার চেষ্টা করেছি। কিন্তু সফল হতে পারিনি। এখন আমার মনে এই পেশার জন্য বিরক্তি আর হতাশা ছাড়া কিছুই নেই। মাত্র ৬০০০ টাকা আয়ে কিভাবে একটা সংসার চালানো খুবই কঠিন। যতই পরিশ্রম করি, এই পরিশ্রমের ফল খুব ছোট একটা অংশ শুধু আমাদের।” – গার্মেন্টস কর্মচারী
 

 
“My wife and son make up my home. I lacked interest and had little attention towards my studies as a child. I really regret it now. The profession that I have chosen for myself brings little income and almost no respect. One of my friends was recently looking for a suitable man for his sister to get married to. He rejected one proposal because the man is a tailor by profession. I feel very frustrated with my line of work too now. But I don’t have the luxury to leave it. I had planned to buy a shop from my uncle once. It did not work out eventually. Neither did it work out when I thought of going to Saudi Arab. In fact, I have tried to shift from this job a lot of times only to be disappointed every time. It’s frustrating. It is very difficult to meet our basic needs with 6000 taka every month. No matter how hard we work, the income is not justified”. – Employee in a garment factory

This story is featured in Made In Equality, an initiative supported by C&A Foundation.